A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

Banglacinema | Review

অলীক সুখ



4 out of 5

অলীক সুখ

  • Actor : দেবশঙ্কর হালদার, বিশ্বনাথ বসু, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়
  • Actress : ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, সোহিনী সেনগুপ্ত, চিত্রা সেন, সায়নী ঘোষ
  • Director : শিবপ্রসাদ মুখার্জী,নন্দিতা রায়
  • Music Director: নচিকেতা চক্রবর্তী, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়
  • Singers : অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়
  • Reviewed by : বাংলাসিনেমা

সুচিত্রা ভট্টাচার্যের রচনা অবলম্বনে পরিচালকদ্বয় শিবপ্রসাদ মুখার্জী ও নন্দিতা রায়ের ছবি ‘অলীক সুখ’ মুক্তি পেল গত শুক্রবার। এই ছবিটি পরিচালক জুটির চতুর্থ ছবি। এই ছবির কাহিনী মূলত এক ডাক্তারের। যেখানে কিংশুক(দেবশঙ্কর হালদার) একজন গাইনোকলজিস্ট সার্জেন। সবাই চায় তার হাতেই সবার বাচ্চা হোক। এবং তার জন্য সে সর্বক্ষণ ছুটে চলেছে। তার দিনে পাঁচটা চেম্বার এবং তিনটে অপারেশন করতে হয়। এদিকে বাড়িতে রয়েছে তার স্ত্রী(ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত), ছেলে তাতান এবং বৃদ্ধ বাবা-মা। সবাইকে নিয়ে থাকেন ভবানীপুরে। সব নিয়েই ছিল তার একটি পরিপূর্ণ সংসার।

হঠাতই সেখানে ছন্দপতন ঘটে এক রোগীর মৃত্যুকে ঘিরে। নার্সিংহোমে বাচ্চা হতে আসা এক রোগী(সোহিনী সেনগুপ্ত) তার প্রথম সন্তান জন্ম দেওয়ার পর মারা যায় ঠিক সে সময় যে সময় কিংশুক তার স্ত্রীকে বিবাহ বার্ষিকীতে একটি দামি ফ্ল্যাট গিফট দেবে বলে সেটি বুক করতে যায়। নার্সিংহোম থেকে নাগাড়ে ফোন যেতে থাকে কিংশুকের মোবাইলে আর সে ফ্ল্যাট বুক করার জায়গা থেকেই ফোনে ইনস্ট্রাকসন দিতে থাকে। কিন্তু সেখান থেকে বেরোবার প্রয়োজন মনে করে না। অথচ সে যখন রাস্তায় গাড়ি নিয়ে নার্সিংহোমের দিকে আসছিল ঠিক সেই সময়েই তার মোবাইলে কল আসে যে রোগীটি আর নেই।

এবং ঠিক সেই মূহুর্তে রাস্তায় এক মিছিলের কারণে লম্বা জ্যাম তৈরী হয়েছে। সে সময় মতো নার্সিনহোমে পৌঁছতে পারে না। এদিকে পেশেন্ট পার্টি ততক্ষণে নার্সিংহোমে ভাংচুর আরম্ভ করে দিয়েছে। পুলিশ-ও এসে গিয়েছে। কিংশুক প্রাণের ভয়ে নার্সিং হোমের পিছন দরজা দিয়ে ওপরে ওঠে। এদিকে খবরে নার্সিংহোমে ভাংচুর হতে দেখে তড়িঘড়ি করে শ্বশুর বৌমাকে নিয়ে নার্সিংহোমে পৌঁছায়। এবং গিয়ে পরিস্থিতির শিকার হয়। কিংশুক-ও রেহাই পায়নি যদিও পুলিশের বড় বাবু কিংশুক-কে বাঁচান।

এদিকে রম্যানি(ঋতুপর্ণা) মারা যাওয়া সেই মহিলাকে(সোহিনী) দেখতে তার ঘরে ঢোকেন। এবং তার কন্ঠস্বর শুনে ভয়ে বেরিয়ে আসেন। আর ক্রমাগতই যতদিন যায় ততই কবিতা(সোহিনী) রম্যানির ছায়াসঙ্গী হয়ে উঠতে থাকে। কারণ ন’মাস পেটে ধরে সে তার সন্তানের মুখ না দেখেই তার আগে মারা গিয়েছিল শুধুমাত্র রম্যানির বরের গাফিলতিতে এবং তার জন্য সে অতৃপ্ত। বরং কিংশুক এটাকে উড়িয়ে দিয়ে বলছে এটা কিছু না। এটা একটা চান্স ফ্যাক্টর মাত্র। ওটা হয়েই থাকে ডাক্তারিতে। এই নিয়েই ছবির গল্প।

এখানে কিংশুকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দেবশঙ্কর হালদার। তার স্ত্রী রম্যানির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। কবিতার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সোহিনি সেনগুপ্ত। আর কবিতার স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশ্বনাথ বসু। প্রত্যেকই যথাযথ অভিনয় করেছেন। এ ছবির সুর দিয়েছেন নচিকেতা চক্রবর্তী এবং অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। এই ছবিতে প্রায় বারো বছর পর আবার একসঙ্গে অভিনয় করলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং সোহিনী সেনগুপ্ত।



Google Translater

Quisque facilisis fermentum augue, sit amet
elementum nibh semper volutpat.

Categories :

Year:

Know About :