




3 out of 5

প্রায় একবছর পর অনিকেত চটোপাধ্যায় ফিরে এলেন তার হাসির জাদুর ঝাঁপি নিয়ে। ছবির নাম গোড়ায় গণ্ডগোল। জমাটি স্ক্রিপ্ট নেই, নেই কোনো টানটান উত্তেজনা, রয়েছে শুধু হাসার উপকরন. দর্শক এখানে দীপংকর দে-কে এক অন্য রূপে দেখতে পাবেন। গুরু গম্ভীর দীপংকর এখানে শুরু থেকে শেষ অবধি একটি ডায়লগ-ই আওড়ে গেলেন। এছাড়া পুরোহিতের ভূমিকায় বিশ্বজিত চক্রবর্তী অনবদ্য। রাহুল, সম্পূর্না, রজতাভ, মানসী, লকেট প্রত্যেকে নিজেদের মত করে অভিনয় করেছেন। রুদ্র-র অভিনয় নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই। তবে সবথেকে বেশি নজর কেড়েছে কাঞ্চন। পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় কাঞ্চন অনবদ্য অভিনয় করেছে।ছোট হলেও খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
রাহুল(ঋক) সম্পূর্নাকে(পলা)ভালোবাসে।বিয়ে করতে চায়।একদিন সম্পূর্নাদের বাড়ি যায় এ বিষয়ে কথা বলতে।আর যত গণ্ডগোলের শুরু ওখান থেকে। আর এই গণ্ডগোলের মূল উৎস হলেন সম্পূর্নার মামাবাবু।
উনি রাহুলের ফ্যামিলি হিস্ট্রি পুরো মুখস্থের মত বলে যান অথচ এদিকে রাহুলের সাতকূলে কেউ নেই। শুধু তাই নয় রাহুলের বাড়ি, গাড়ি সব আছে এসবও বলে বসেন। এ হেন সমস্যার হাত থেকে রাহুলকে বাঁচায় পকেটমাররূপী রূদ্রনীল(নঞ্চে)। সেই রাহুলকে বাঁচাবার জন্য রজতাভ, মানসী, কনীনিকা, লকেট সবাইকে নিয়ে আসে রাহুলের বাড়িতে।
সবকিছু থিক হলেও গণ্ডগোল থেকে যায় আরও এক জায়গায় সেটা হল একটা প্রাসাদোপম বাড়ি। এই সমস্যার থেকে রাহুলকে বাঁচায় রজতাভ(গোলাম দা)। সে বিশ্বনাথকে কিডন্যাপ করে টাকা নেওয়ার জন্য। এইভাবে গল্প চলতে থাকে।
গানগুলোও যথাযথ ব্যবহার করা হয়েছে। সবমিলিয়ে বাই বাই ব্যাঙ্ককের পর অনিকেত চতোপাধ্যায়ের এই ছবিটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে নিঃসন্দেহে।